রোগী মারা ডাক্তার না হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির


116 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
রোগী মারা ডাক্তার না হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
অক্টোবর ১১, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের রোগী মারা ডাক্তার না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরাই মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পায়। তারা যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চিকিৎসা সনদ নিয়ে মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করে; পাশাপাশি বিবেককে জাগ্রত করে প্রকৃত চিকিৎসক হয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত হয়।

দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জ প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে বুধবার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় মেডিকেল কলেজে ‘আবদুল কাদির মোল্লা’ হোস্টেল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

আবদুল হামিদ বলেন, মেডিকেল কলেজটি যেহেতু আমার নামে, সেহেতু আমি আশা করব, এখান থেকে রোগী মারা কোনো চিকিৎসক বের হবে না। চিকিৎসা শাস্ত্রের জটিল বিষয় অধ্যয়ন করে প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করে এ কলেজের শিক্ষার্থীরা সুচিকিৎসক হিসেবে সমাজসেবায় ভূমিকা রাখবে।

মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাশিদা হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনম নৌশাদ খান, শিল্পপতি আবদুল কাদের মোল্লা, রাষ্ট্রপতির পুত্র ও সাংসদ রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, কলেজের পরিচালক রাসেল আহমেদ তুহিন, অধ্যাপক মতিউর রহমান প্রমুখ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৫৮ বছর রাজনীতি করেছি; ৫৪ বছর সংসার করছি। এ পর্যন্ত কোনোদিন স্ত্রী রাশিদা খানমকে মাননীয় বলিনি। কিন্তু আজ মাননীয় বলতে হচ্ছে। কারণ তিনি আজকের এই সভার সভাপতি। তা ছাড়া জাফরাবাদে শ্বশুরবাড়ি এসেছি। এখানে মাননীয় না বললে ঘরে-বাইরে রক্ষা নেই। পরে তিনি মাননীয় সভাপতি বলে আবারও বক্তব্য শুরু করেন। মেডিকেল কলেজে হোস্টেল নির্মাণে এগিয়ে আসায় শিল্পপতি কাদের মোল্লার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি।

সংবর্ধনায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির অতিরিক্ত সামরিক সচিব মেজর জেনারেল ইফতেখারুল ইসলাম, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ূয়া, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন, জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা।

এর আগে রাষ্ট্রপতি কিশোরগঞ্জে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য কিশোরগঞ্জ সদরের বৌলাই, করিমগঞ্জের গণধর, মরিচখালি সড়কের তিনটি স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করেন। বিকেলে সার্কিট হাউসে খাবার গ্রহণের পর শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা পৌঁছান রাষ্ট্রপতি।