জেতা ম্যাচ হারল পাকিস্তান


73 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জেতা ম্যাচ হারল পাকিস্তান
নভেম্বর ২০, ২০১৮ খেলা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

পাকিস্তানের নাকে জয় তখন সুড়সুড়ি দেওয়া শুরু করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের জন্য দরকার মাত্র ১৬ রান। পাকিস্তানের হাতে ৫ উইকেটে। ক্রিজে আছেন সেট ব্যাটসম্যান আজহার আলী। তার সঙ্গে পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। কিন্তু জেতা ম্যাচও যে হারার জুড়ি নেই পাকিস্তানের। হলোও তাই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হুট করে উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে গেলো পাকিস্তান। হারল মাত্র ৪ রানে।

লেগ স্পিনে ইশ সোধী পাকিস্তানকে বেশ চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে জয়ের জন্য ১৭৬ রানের লক্ষ্য দেয় নিউজিল্যান্ড। এরপর ওই রান সহজে টপকে যাবে এমনই মনে হচ্ছিল। পাকিস্তান ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান তুলে ফেলে। এরপর আইজাজ প্যাটেল বল হাতে চমক দেখাতে শুরু করে। একে একে সরফরাজ আহমেদ, বেলাল আসিফ এবং হাসান আলীকে ফেরান। শুরুতে তুলে নেন ইমাম উলকে। আর শেষে লড়তে থাকা আজহার আলীকে ফিরিয়ে দলকে জয় এনে দেন তিনি। দলের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রান করেন আহজার। ফিরে যান শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে।

শেষ দিকে দ্রুত পাকিস্তানের উইকেট তুলে নেন নিউজিল্যান্ড বোলাররা।

এর আগে টেস্টের প্রথম দিনে শুরুতে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড। শুরুতে তারা তোলে মাত্র ১৫৩ রান। ইয়াসির শাহ আর হারিস সোহেল আটকে দেয় তাদের। জবাবে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান তোলে ২২৭ রান। দলের হয়ে ফিফটি পান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। তিনি করেন ৬২ রান। আসাদ শফিক করেন ৪৩ রান। প্রথম ইনিংসে থেকে ৭৪ রানের লিড পায় পাকিস্তান।

এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ আর পেসার হাসান-আব্বাসকে সামলে ২৪৯ রান তোলে কিউইরা। পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭৬ রানের। চতুর্থ ইনিংসে আমিরাতে ওই রান সহজ ছিল না। তবে পাকিস্তান প্রায় সহজই করে ফেলেছিল। কিন্তু শেষ দিকে টপাটপ উইকেট তুলে নেন আইজাজ প্যাটেল। অলআউট করে দেন পাকিস্তানকে। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড।

পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে একাই লড়েন আজহার আলী।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে এই টেস্টে আইজাজ প্যাটেল পান ৮ উইকেট। এরমধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৫ উইকেট নেন। পাকিস্তানের হয়ে প্রথম ইনিংসে পাঁচটি করে উইকেট পান হাসান আলী এবং ইয়াসির শাহ। এছাড়া মোট ৮ উইকেট পান ইয়াসির শাহ।