সাতক্ষীরা-৪ আসনে সাবেক এমপি গোলাম রেজাকে প্রত্যাখ্যান


293 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা-৪ আসনে সাবেক এমপি গোলাম রেজাকে প্রত্যাখ্যান
ডিসেম্বর ৪, ২০১৮ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা ৪ আসনে বিকল্পধারার প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এইচএম গোলাম রেজাকে প্রত্যাখ্যানের ঘোষনা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। তাকে মহাজোট প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিলে তাও রুখে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
সোমবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মুক্তিযোদ্ধারা এক সংবাদ সম্মেলন করে ্এই ঘোষনা দেন। এ সময় তার সময়কালের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলা হয় তিনি সরকারের সব ধরনের উন্নয়ন কাজে বাধা দিয়েছেন।


মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। এতে তিনি বলেন এইচএম গোলাম রেজা ২০০৮ এর নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকাকালে আইলা উপদ্রুত শ্যামনগরে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত গৃহনির্মান ঋণ প্রদানে টানা দুই বছর ধরে বাধা প্রদান করেন। শ্যামনগরকে পৌরসভায় উন্নীত করণে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আপত্তি দেওয়া এবং শ্যামনগর মহসিন ডিগ্রী কলেজকে জাতীয়করণেও বাধার সৃষ্টি করেন। অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয় সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে শত্রুতার সৃষ্টি করেন। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কম পক্ষে ১৫ টি মামলা করে তাদের হয়রানি করেন। গোলাম রেজা ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার নানা ধরনের ব্যবস্থাও নেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে তাকে মহাজোটগত মনোনয়ন দেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধারা তাকে প্রতিহত করবেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয় নিজের নাম ঠিকানা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে প্রতারণামূলক তথ্য দেওয়ায় তাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে অপসারন করা হয় ২০১২ এর ২ অক্টোবর। এ সময় তিনি জাতীয় পার্টির হুইপ পদও হারান। তিনি এক সময় জাসদ করতেন । পরে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। সেখান থেকে অপসারিত হবার পর গোলাম রেজা যোগ দেন জাতীয় পার্টি ( কাজী জাফর) এ। এরপর তিনি বিকল্পধারায় যোগ দেন। এভাবে তিনি বারবার দল বদল করেন উল্লেখ করে তারা বলেন এমন একজন অস্থির লোককে জনপ্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেওয়া ঠিক নয়। গত ৮ সেপ্টেম্বর কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন হত্যার পর তিনি এলাকায় এসে উত্তেজনার সৃষ্টি করেন । পরে পুলিশের নির্দেশ পেয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে যান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কমান্ডার এমএ মাজেদ, আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ জিএম ওসমান গনি, আবদুল বারিক, নজরুল ইসলাম, আকবর হোসেন, মুজিবর রহমান, শামসুর রহমান প্রমূখ মুক্তিযোদ্ধা।