সাতক্ষীরায় যুবদের শোভন কর্মক্ষেত্র তৈরি বিষয়ক সংলাপ


76 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় যুবদের শোভন কর্মক্ষেত্র তৈরি বিষয়ক সংলাপ
ডিসেম্বর ৬, ২০১৮ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

 

নাজমুল আলম মুন্না :
মানবাধিকার সংরক্ষন ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা (হেড) সাতক্ষীরার আয়োজনে এবং এ্যাকশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে যুবদের কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক সুযোগ ও শোভন কর্মক্ষেত্র তৈরি বিষয়ক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ভুধর সরকার। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পের্কে আলোচনা ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হেড এর নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেবাশিস সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, সাতক্ষীরা সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জিয়াউল হক, বিসিক এর উপ-ব্যবস্থাপক গোলাম সাকলাইন, বিসিকে অবস্থিত মোস্তফা অর্গানিক সিরিম প্রোডাক্টস্ লিঃ এর জিএম মোঃ আব্দুল মোনায়েম হোসেন, শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনের অধ্যক্ষ সুধাকর বিশ্বাস, বরসা’র সহকারী পরিচালক নাজমুল আলম মুন্না, সাংবাদিক ফারুক রহমান, ডাস-বাংলা ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার ডেপুটি ম্যানেজার শেখ লিমন আলী ও সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার দাস। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন লাবসা, নগরঘাটা ও বল্লী ইউনিয়নের বিভিন্ন যুব গ্রুপের চেঞ্জমেকার বাসনা বালা, কনিকা সরকার, মুর্শিদা সুলতানা, মহিবুল্লাহ হোসাইন, আজগার আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, একটি বাড়ী একটি খামারের উপজেলা ম্যানেজার মোঃ মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার সীমান্ত দাস ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয় ভাগ হচ্ছে যুবক-যুবতী। যার ফলে বেকারত্ব সমস্যা আমাদের দেশের একটা জাতীয় সমস্যায় পরিনত হয়েছে। যদদিন যাচ্ছে বেকারত্ব দিনদিন বেড়েই চলেছে। তাছাড়া সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে তেমন কোন মিল-কলকারখানা গড়ে ওঠেনি ফলে এই এলাকার যুবক-যুবতীরা বেশিরভাগ বেকার। এছাড়া অ-প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরের সংখ্যাও কম থাকায় বেশিরভাগ যুবকরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারছে না। অন্যান্য দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় আমাদের দেশের যুবক-যুবতীদের সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু তারা রয়েছে অদক্ষ। অদক্ষ এবং অর্থনৈতিক সুযোগোর অভাবে তারা উদ্যোক্তা হিসাবেও গড়ে উঠতে পারছেনা। বক্তারা বলেছের আমাদের এলাকা অ-প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরের বেশীর ভাগ প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ যাতে যুব বান্ধব এবং শোভন হয় সে ব্যপারেও নজর বাড়াতে হবে। এব্যপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সদয় হওয়ার আহবান করেন। সংলাপের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন কারিগরী/দক্ষতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে বেকার যুবদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন অ-প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে যুবদের কর্শসংস্থান সৃষ্টি করা, অ-প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে শ্রমীকের জন্য শোভন কাজের পরিবেশ তৈরি করা, ঝুকিপূর্ণ কাজ থেকে বেরিয়ে আসার উপায় বের করা, কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি যৌন সহিংসতাসহ সকল ধরনের সহিংসতা বন্ধে করণীয় নির্ধারণ ও সর্বোপরি যুব সম্পর্কের সেতুবন্ধন প্রতিষ্ঠিত করণে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান ইত্যাদি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসহ ৫৭ জন বিভিন যুব চেঞ্জমেকারগণ অংশগ্রহন করেন ।